
কাজের চাপে পিষ্ট? জেন-জি কর্মীদের কাছে এখন মানসিক স্বাস্থ্যই সবার আগে
[নিজস্ব প্রতিবেদক] | [১৮ জুন ২০২৬]
২০২৬ সালে এসে কর্মক্ষেত্রে মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টি আর অবহেলার নয়। জেন-জি কর্মীরা এখন নিয়োগকর্তাদের কাছ থেকে মেন্টাল হেলথ সাপোর্ট এবং কাজের ভারসাম্য (Work-life balance) নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছে। ড্যাভরণ-এর এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, অধিকাংশ তরুণ কর্মী এখন এমন কোম্পানি বেছে নিচ্ছে যারা মানসিক স্বাস্থ্য ছুটি বা কাউন্সিলিং সুবিধা প্রদান করে।
মানসিক স্বাস্থ্য এখন মূল শর্ত
তরুণরা এখন কেবল কাজের পেছনে ছুটছে না, তারা নিজেদের মানসিক শান্তিকেও গুরুত্ব দিচ্ছে। কর্মক্ষেত্রে অতিরিক্ত চাপ বা বিষাক্ত পরিবেশ তারা আর সহ্য করতে রাজি নয়। ফলে কোম্পানিগুলো এখন তাদের এইচআর পলিসিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে বাধ্য হচ্ছে।
সুস্থ কর্মপরিবেশের গুরুত্ব
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, সুস্থ মানসিক অবস্থা ছাড়া দীর্ঘমেয়াদে ভালো কাজ করা সম্ভব নয়। জেন-জি তরুণদের এই দাবি কর্মক্ষেত্রে এক ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে আসছে, যা সামগ্রিকভাবে উৎপাদনশীলতা বাড়াতে সহায়ক হবে।